২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও ইলিশ আহরণে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ সমগ্র উপকূলজুড়ে। শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রে নামার
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্তর্জাতিক জলবায়ু কর্মদিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটায় কলাপাড়ার আন্ধারমানিক নদীর তীরে এ উপলক্ষে মানববন্ধন সমাবেশ করা হয়েছে। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা ধরা, ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৫ শতাধিক বেওয়ারিশ কুকুর ও বিড়ালকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা দিয়েছে এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর সদস্যরা। বুধবার দিনভর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পৌর শহর ও কুয়াকাটা সৈকত এলাকায় ঘুরে ঘুরে
চিংগরিয়া খালের অস্তিত্ব রক্ষায় কলাপাড়া প্রশাসন এবার কঠোর অবস্থানে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ স্পষ্ট করে বলেছেন, “সরকারি খাল, জলাশয় কিংবা খাস জমি কোনোভাবেই দখল করা যাবে
তদারকির অভাবে কলাপাড়ায় সরকারের ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর কার্যক্রম ভেস্তে যেতে বসেছে। ফ্যামিলি কার্ড সক্রিয় না থাকার অজুহাতে দুই-তৃতীয়াংশ উপকারভোগী পরিবার নিত্যপণ্যের এই সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধূলাসার ইউনিয়নের নয়াকাটা গ্রামে ভূমিদস্যু ও উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি দখল ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর)
কলাপাড়ায় স্ত্রী রহিমা বেগম (২৫) ও শাশুড়ি রানী বেগমকে (৫০) কুপিয়ে জখমের ঘটনায় অভিযুক্ত জামাই মিরাজ হাওলাদারসহ সকল আসামির গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকালে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে পরিচিতি ও সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ইউনিয়নের
অর্থবিত্ত ও প্রভাব অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বিএনপির ত্যাগী পরিবারকে ফাঁসাতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে— এমন অভিযোগ তুলেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জিরো পয়েন্ট চৌরাস্তা থেকে পূর্ব দিকে বেড়িবাঁধের দুই পাশের স্লোপে থাকা ছোট-বড় অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন,