1. tjjoyr@gmail.com : Tanjil Jaman Joy : Tanjil Jaman Joy
  2. necharlenovo@gmail.com : Nechar :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
‌ সর্বশেষ :
কলাপাড়ায় মব সৃষ্টি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ৩ খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল ইরান কলাপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: দলের কেউ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়—এমপি মোশাররফ বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান ‍খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের কলাপাড়ায় বহুপক্ষীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্কের বাৎসরিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আলোচিত সেই চিঠি ইস্যুতে এবার নীলাকে জড়ালেন তনি সুন্দরবনে ৫ দস্যু বাহিনীর দাপট ,মুক্তিপণ দিয়ে ফিরছেন অপহৃত জেলেরা ইউনূসের প্রেসসচিবের আক্রোশের শিকার হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইং ফ্যামিলি কার্ড কীভাবে পাবেন ? আবেদনে যা লাগবে আগের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ব্যয় হবে নতুন দুই মেট্রো রেলে

অন্যের জমির ধান নয়, নিজের জমির ধান কেটেছি: সংবাদ সম্মেলনে হাফেজ বারেক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯২ জন দেখেছেন

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার তাঁর বিরুদ্ধে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

 

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল চারটায় মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

লিখিত বক্তব্যে হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, “আমি যে জমির ধান কেটেছি, সেটি আমার নিজস্ব ও চাষ করা জমি। অন্যের জমির ধান আমি কখনোই কাটিনি।” তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট জমিটি গত পাঁচ বছরে অন্তত দশবার মাপজোখ করা হয়েছে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে যেভাবে জমি মেপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ীই তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

 

তিনি আরও বলেন, “ধান কাটার মৌসুম এলেই প্রতিপক্ষ একটি পরিকল্পিত ঝামেলা তৈরি করে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করে।”

 

হাফেজ আবদুল বারেক জানান, তিনি আবদুস ছাত্তার ও আয়শা বেগমের কাছ থেকে সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন এবং সেই জমিতে তিনি নিজেই চাষাবাদ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি সোলায়মানদের কাছ থেকে কোনো জমি ক্রয় করিনি। সুতরাং তাদের সঙ্গে জমি বা ধান কাটা নিয়ে আমার কোনো বিরোধ নেই।”

 

তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং কিছু গণমাধ্যমে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

 

মহিপুর থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগ এবং স্থানীয় দুইটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাঁর ভাতিজা সোলায়মান হাওলাদার ও বিপ্লব হাওলাদারের জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট। সাজেদা বেগম নামের এক নারীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদে কোনো সত্যতা নেই বলেও তিনি দাবি করেন।

 

তিনি আরও বলেন, “আমার জমির পাশের জমির ধান সোলায়মান আগেই কেটে নিয়েছে। এরপর আমি আমার জমির ধান কেটেছি। যদি মাপজোখ নিয়ে আপত্তি থাকতো, তাহলে সোলায়মান আগে ধান কাটল কেন—এটাই আমার প্রশ্ন।”

রাতের আঁধারে ধান কাটার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি বিকেল থেকে ধান কাটা শুরু করেছি। রাতের আঁধারে ধান কাটার প্রশ্নই ওঠে না। এখানে উপস্থিত গ্রামবাসীরাই তার সাক্ষী।”

 

হাফেজ বারেক হাওলাদার আরও জানান, তিনি আজ পর্যন্ত তাঁর ভাতিজা কিংবা সাজেদা বেগমের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেননি এবং কোথাও সাক্ষীও দেননি।

 

এ বিষয়ে জমি বিক্রেতা সত্তার হাওলাদার বলেন, তিনি তাঁর জমি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদারের কাছে বিক্রি করেছেন। ওই জমিতে চাষাবাদ ও ধান কাটা সম্পূর্ণভাবে হাফেজ বারেকই করেছেন।

 

স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান, ধান চাষ ও কাটার কাজ দিনের বেলাতেই করা হয়েছে। রাতের আঁধারে ধান কাটার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।

 

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বরিশাল ক্রাইম ট্রেস ও আপন নিউজ বিভ্রান্তিকর ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকাশিত সংবাদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হানিফ হাওলাদারের সঙ্গে অভিযোগকারীদের পরিবারের জমির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে এবং সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি দেখিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ

Search any news

© 2026, All rights reserved | Daily Bangladesh
Developed by ItNex BD