1. tjjoyr@gmail.com : Tanjil Jaman Joy : Tanjil Jaman Joy
  2. necharlenovo@gmail.com : Nechar :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
‌ সর্বশেষ :
কলাপাড়ায় ফেরদৌস মুন্সী হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দ্রুত বিচার দাবি কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর খালের চরে মাটিচাপা যুবকের লাশ উদ্ধার মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানি চলছে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বাতিল হলো তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শুরু হচ্ছে আজ কুয়াকাটায় গাঁজা সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড পায়রা বন্দরের পাশের কোটি কোটি টাকার সরকারি খাস জমিতে দখলদারের ছোবল দেশের মানুষ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে : মির্জা ফখরুল শৈত্যপ্রবাহ আর কয়দিন থাকবে জানালেন আবহাওয়াবিদ ঘুস দাবি করায় পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মহিপুরে দাঁতের ডাক্তার হারুন দেন চোখের চিকিৎসা!

মহিপুর (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৪ জন দেখেছেন

পটুয়াখালীর মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল ক্লিনিকে চলছে অনিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম। দাঁতের ডাক্তার পরিচয় দিলেও নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ শব্দ ব্যবহার করছেন হারুন-অর-রশীদ। অভিযোগ রয়েছে, তিনি রোগীদের কাছ থেকে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ভিজিট ফি নিয়ে ভুয়া চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হারুন দাঁতের চিকিৎসক হলেও দীর্ঘদিন ধরে ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্র ব্যবহার করে চোখের চিকিৎসাও করছেন। এতে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।

গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চার বছরের শিশু আদনানকে চোখের সমস্যা নিয়ে ক্লিনিকে নেওয়া হলে ভোগান্তির শিকার হন তার পরিবার। হারুন নিজে চিকিৎসা না করে তার ভাই ডাঃ আব্দুল হাকিমের নামে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহ-জাহান কাজী বলেন, “হারুন দাঁতের চিকিৎসাতেও ভুল করেছেন। সেরাজপুরের এক রোগীর ভালো দাঁত তুলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।” তিনি দাবি করেন, হারুন সরাসরি চিকিৎসা দেন না, মোবাইল ফোনে ভাইয়ের নির্দেশনা নিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন।

মহিপুরের আরেক বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বলেন, “আমরা জানি সে দাঁতের চিকিৎসা দেয়। কিন্তু ভাইয়ের প্রেসক্রিপশনে চোখের চিকিৎসা দেওয়াটা ভয়ংকর প্রতারণা।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন অর রশীদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে তার ভাই ডাঃ আব্দুল হাকিম সাংবাদিক পরিচয় জানার পর ফোন কেটে দেন এবং সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেন।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, “একজন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে অন্য কেউ চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।”

পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, “অন্যের প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়া অপরাধ। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© 2026, All rights reserved | Daily Bangladesh
Developed by ItNex BD