অর্থবিত্ত ও প্রভাব অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বিএনপির ত্যাগী পরিবারকে ফাঁসাতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে— এমন অভিযোগ তুলেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবর রহমান প্যাদা।
শনিবার দুপুরে কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চলছে।’
মজিবর রহমান প্যাদা জানান, গত ১৪ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে মোসা: মরিয়ম বেগমসহ তার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়। তিনি দাবি করেন, প্রকৃত ঘটনা হলো— দ্বিঘর বালিয়াতলী গ্রামের মোসলেম আলী দফাদার অর্থের প্রয়োজনে তার কাছে ১২ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন। স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ছয় লাখ টাকায় চুক্তি হয় এবং তিনি পাঁচ লাখ টাকা বায়না দেন। পরবর্তীতে জমি বুঝিয়েও দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ওই নারীর স্বামী ও পিতার পরিবার আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অনুসারী। তারা আমার মানহানি ঘটাতে এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।’
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে বৈবাহিক সম্পর্কের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কোনও প্রমাণ বা কাগজপত্র ছাড়াই আমার নির্মিত ঘর ও অর্থ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।’
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করে বলেন, ‘আমার নির্মিত ঘর ও জমির বিপরীতে ধুলাসার আবাসন প্রকল্পের দুটি পূর্ণবাসন ঘরসহ প্রায় ৭৫ লাখ টাকার সম্পদ ফেরত চাই। এ বিষয়ে একাধিক সাক্ষী ও প্রমাণ রয়েছে।’
মজিবর রহমান প্যাদা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ‘আমার ও ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চাই।’
সংবাদ সম্মেলনে তার আত্মীয় হাবলু মৃধা, হিরন মৃধা, জনি জামাল, সোহেল হাওলাদারসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।