জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সংস্কার প্রস্তাবগুলোর টেকসই বাস্তবায়নের জন্য নতুন সংবিধান প্রণয়নই একমাত্র পথ। পুরোনো সংবিধান ঘষামাজা করে সংশোধন করলে তা পরবর্তী সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে এবং স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।
গত বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, “বর্তমান সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে আমরা নতুনভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সংবিধানের মূলনীতি, সংশোধনের প্রক্রিয়া, অনুচ্ছেদ ৭০, প্রধানমন্ত্রী কয় পদে থাকবেন, রাষ্ট্রপতির নিয়োগ ও ক্ষমতা, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণসহ বহু বিষয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে অনেক ভালো প্রস্তাব সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে গৃহীত হলেও আদালতের রায়ে তা বাতিল হয়েছে। ফলে টেকসই বাস্তবায়নের জন্য নতুন সংবিধান ছাড়া বিকল্প নেই।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তিনি বলেছেন পরবর্তী নির্বাচিত সরকার জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। কিন্তু তার বক্তব্যে পরবর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ রাখার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অথচ আমরা মনে করি, ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্তগুলোর ধারাবাহিকতা ভবিষ্যত সরকারগুলোকেও বজায় রাখতে হবে।”
আখতার হোসেন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “চব্বিশের অভ্যুত্থানে জনগণ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জীবন দিয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে নতুন সংবিধান অপরিহার্য। এটা কেবল দলীয় অবস্থান নয়, বরং জাতির প্রয়োজনে আমাদের সবার দায়িত্ব।