1. tjjoyr@gmail.com : Tanjil Jaman Joy : Tanjil Jaman Joy
  2. necharlenovo@gmail.com : Nechar :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
‌ সর্বশেষ :
কলাপাড়ায় মব সৃষ্টি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ৩ খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল ইরান কলাপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: দলের কেউ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়—এমপি মোশাররফ বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান ‍খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের কলাপাড়ায় বহুপক্ষীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্কের বাৎসরিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আলোচিত সেই চিঠি ইস্যুতে এবার নীলাকে জড়ালেন তনি সুন্দরবনে ৫ দস্যু বাহিনীর দাপট ,মুক্তিপণ দিয়ে ফিরছেন অপহৃত জেলেরা ইউনূসের প্রেসসচিবের আক্রোশের শিকার হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইং ফ্যামিলি কার্ড কীভাবে পাবেন ? আবেদনে যা লাগবে আগের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ব্যয় হবে নতুন দুই মেট্রো রেলে

ইউনূসের প্রেসসচিবের আক্রোশের শিকার হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইং

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৫ জন দেখেছেন

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিবের আক্রোশের কবলে পড়ে বঙ্গভবনের প্রেস উইং। বঙ্গভবনে বর্তমানে কোনো প্রেস উইং নেই। ওই সময় এখান থেকে গোটা প্রেস উইং প্রত্যাহার করে নেয় বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিযোগ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রপতি জানান, তাঁকে অপমান ও একঘরে করে রাখার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বঙ্গভবনের প্রেস উইং কার্যত অচল করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে বিজয়ের পর নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাতে বঙ্গভবনে আসেন। সাংবাদিকবান্ধব মানুষ হিসেবে  স্বাভাবিকভাবেই তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষায়, সেটি ছিল একেবারেই সাধারণ একটি সাক্ষাৎ, সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা ও একটি ফটোসেশনেই তা শেষ হয়।কিন্তু পরদিন কয়েকটি পত্রিকায় সেই খবর ছবিসহ প্রকাশ হলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেয়নি।

 

রাষ্ট্রপতি জানান, এরপর জোর করে খোঁজা শুরু হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ের কে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাঁর ভাষায়, বাস্তবে প্রেস উইংয়ের কেউই এই কাজ করেননি; তিনি নিজেই সাংবাদিকদের চিঠি পেয়ে তাদের বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, রাষ্ট্রপতির অভিযোগ, নির্লজ্জভাবে প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারিসহ তিনজনকে একযোগে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করা দুইজন ফটোগ্রাফারকেও সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে পুরো প্রেস উইং কার্যত ভেঙে দেওয়া হয়।

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে বঙ্গভবনে কার্যকর কোনো প্রেস উইং নেই। এর ফলে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর ভাষায়, এমনকি জাতীয় ক্রিকেট দল কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতলেও রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি সাধারণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগও নেই।পরিস্থিতিকে তিনি ‘পুরোপুরি প্রতিবন্ধী করে দেওয়া’ বলে উল্লেখ করেন।

 

রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি নিজে একাধিকবার ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং এস্টাবলিশমেন্ট সেক্রেটারির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রেস উইং সচল করতে বলেন। কিন্তু কেউই সাড়া দেননি।

রাষ্ট্রপতির অভিযোগ, এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জনগণের কাছে তাঁর উপস্থিতি বা এক্সপোজার সীমিত করার উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসগুলো উপলক্ষে যে রাষ্ট্রীয় ক্রোড়পত্র প্রকাশ হয়, সেখানে তাঁর ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হলেও সেখানে রাষ্ট্রপতির কোনো বাণী রাখা হয়নি। রাষ্ট্রপতি বলেন, গত দেড় বছরে তাঁর কোনো বাণী রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান এবং রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানিক পদ। রাষ্ট্রপতির দপ্তর বা বঙ্গভবন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক বাসভবন নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সে কারণেই রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং রাষ্ট্র পরিচালনার যোগাযোগ কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ।

রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুসারে প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতির কর্মকাণ্ড, বক্তব্য, বাণী, শুভেচ্ছা ও রাষ্ট্রীয় অবস্থান জনগণ ও গণমাধ্যমের কাছে পৌঁছে দেওয়া। বিশ্বের প্রায় সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই রাষ্ট্রপ্রধানের প্রেস উইং স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং সরকারপ্রধানের দপ্তর থেকে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় থাকে।

রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুসারে, রাষ্ট্রপতির ছবি, বাণী ও বক্তব্য রাষ্ট্রীয় ক্রোড়পত্র, জাতীয় দিবসের প্রকাশনা এবং সরকারি যোগাযোগে অন্তর্ভুক্ত থাকা একটি দীর্ঘদিনের রেওয়াজ। এটি রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত পরিচয়ের বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্রের প্রতীকী ধারাবাহিকতার অংশ। এই রেওয়াজ থেকে বিচ্যুতি রাষ্ট্রীয় প্রথা ও সাংবিধানিক শিষ্টাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেই বিবেচিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ

Search any news

© 2026, All rights reserved | Daily Bangladesh
Developed by ItNex BD